যাকাতের পরিচয় ও গুরুত্ব-মহত্ব এবং না দেওয়ার ভয়াবহ পরিণতি

নামায ও যাকাত প্রকৃতপক্ষে গোটা দ্বীনের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। দৈহিক ইবাদাতে নামায সমগ্র দ্বীনের প্রতিনিধিত্ব করে। আর আর্থিক ইবাদাতে যাকাত সমগ্র দ্বীনের প্রতিনিধিত্ব করে। দ্বীনের পক্ষ থেকে বান্দার ওপরে যেসব হক আরোপ করা হয় তা দু প্রকারের। আল্লাহর হক এবং বান্দার হক। নামায আল্লাহর হক আদায় করার জন্যে বান্দাকে তৈরী করে এবং যাকাত বান্দাদের হক আদায় করার গভীর অনুভূতি সৃষ্টি করে। আর এ দু প্রকারের হক ঠিক ঠিক আদায় করার নামই ইসলাম

যাকাতের পরিচয় : যাকাতের অর্থ পাক হওয়া, বেড়ে যাওয়া, বিকশিত হওয়া। ফেকার পরিভাষায় যাকাতের অর্থ হচ্ছে একটি আর্থিক ইবাদত। প্রত্যেক সাহেবে নেসাব মুসলমান তার মাল থেকে শরীয়াতের নির্ধারিত পরিমাণ মাল ঐসব লোকদের জন্যে বের করবে শরীয়াত অনুযায়ী যাকাত নেয়ার যারা হকদার। যাকাত দিলে মাল পাক পবিত্র হয়। তারপর আল্লাহর মালে বরকত দান করেন। তার জন্যে আখিরাতে যাকাত দানকারীকে এতো পরিমাণ প্রতিদান ও পুরস্কার দেন যে, মানুষ তার ধারণাও করতে পারে না। এজন্যে এ ইবাদাতকে যাকাত অর্থাৎ পাককারী এবং বর্ধিত কারী আমল বলা হয়েছে। [আল হিদায়া, মুল লেখক- ইবনে আবূ বকর আল ফারগানী আল মারগীনানী (রা.) বাংলা অনুবাদক- আবু তাহের মেসবাহ]

যাকাতের মর্যাদা : যাকাত ইসলামের তৃতীয় বৃহৎ রুকন বা স্তম্ভ। দ্বীনের মধ্যে নামাযের পরই যাকাতের স্থান। বস্তুত কুরআন পাকে স্থানে স্থানে ঈমানের পরে নামাযের এবং নামাযের পর যাকাতের উল্লেখ করা হয়েছে। যার থেকে একদিকে এ সত্য সুস্পষ্ট হয় যে, দ্বীনের মধ্যে নামায এবং যাকাতের মর্যাদা কতখানি। অপরদিকে এ ইঙ্গিতও পাওয়া যায় যে, নামাযের পরে মর্যাদা বলতে যাকাতেরই। এ তথ্য নবী পাক (সা.) -এর হাদীস থেকেও সুস্পষ্ট হয়, হযরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বলেন, নবী (সা.)  মায়ায বিন জাবাল (রা.)কে ইয়ামেন পাঠাবার সময় নিম্নোক্ত অসিয়ত করেন, তুমি সেখানে এমন সব লোকের মধ্যে পৌঁছাবে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল। তুমি সর্ব প্রথম তাদেরকে ঈমানের সাক্ষ্যদানের দাওয়াত দেবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সা.)  আল্লাহর রাসূল। তারা যখন এ সত্য স্বীকার করে নেবে তখন তাদেরকে বলে দেবে যে, আল্লাহ রাত ও দিনের মধ্যে তাদের উপর পাঁচবার নামায ফরয করে দিয়েছেন। তারা এটাও মেনে নিলে তাদেরকে বল যে, আল্লাহ তাদের ওপর সাদকা (যাকাত) ফরয করেছেন। তা নেয়া হবে তাদের সচ্ছল ব্যক্তিদের কাছ থেকে এবং বণ্টন করা হয়ে তাদের মধ্যকার অক্ষম ও অভাবগ্রস্তদের মধ্যে। তারা একথাও যখন মেনে নেবে তখন যাকাত আদায় করার সময় বেছে বেছে তাদের ভালো ভালো মাল নেবে না এবং মাজলুমের বদদোয়া থেকে বেচে থাকবে। কারণ মাজলুম ও আল্লাহর মধ্যে কোন পর্দার প্রতিবন্ধকতা থাকে না। [বুখারী, মুসলিম]

যাকাতের মর্মকথা : আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য যখন মুমিন তার প্রিয় এবং পছন্দই মাল আল্লাহর পথে সন্তুষ্টচিত্তে ব্যয় করে তখন সে মুমিনের দিলে এক নূর এবং উজ্জ্বলতা পয়দা হয়। বস্তুগত আবর্জনা ও দুনিয়ার মহব্বত দূর হয়ে যায়। তারপর মনের মধ্যে একটা সজীবতা পবিত্রতা এবং আল্লাহর মহব্বতের প্রেরণা সৃষ্টি হয়। অতঃপর তা বাড়তেই থাকে। যাকাত দেয়া স্বয়ং আল্লাহর মহব্বতের স্বরূপ এবং এ মহব্বত বাড়াবার কার্যকর এবং নির্ভরযোগ্য উপায়ও।

যাকাতের মর্ম শুধু এই নয় যে, তা দুঃস্থ ও অভাবগ্রস্তের ভরণ পোষণ ও ধনের সঠিক বণ্টনের একটা প্রক্রিয়া পদ্ধতি। বরং তা আল্লাহ তায়ালার ফরজ করা একটা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও বটে। এছাড়া না মানুষের মন ও রূহের পরিশুদ্ধ ও পবিত্র করণ সম্ভব আর না সে আল্লাহর মুখলেস ও মুহসেন সৎ বান্দা হতে পারে। যাকাত প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর অফুরন্ত নেয়ামতের জন্য তার শোকর গুজারীর বহিঃপ্রকাশ। অবশ্যি আইনগত যাকাত এই যে, যখন সচ্ছল লোকের মালের এক বছর পার হয়ে যাবে তখন সে তার মাল থেকে একটা নির্দিষ্ট অংশ হকদারের জন্য বের করবে। কিন্তু যাকাতের মর্ম শুধু তাই নয়। বরঞ্চ আল্লাহ তায়ালা এ আমলের দ্বারা মুমিনের দিল থেকে দুনিয়ার সকল প্রকার বস্তুগত মহব্বত বের করে নিয়ে সেখানে তার আপন মহব্বত বসিয়ে দিতে চান। এভাবে তিনি তরবিয়াত দিতে চান যে, মুমিন আল্লাহর পথে তার মাল জাল সকল শক্তি ও যোগ্যতা কুরবান করে রূহানী শান্তি ও আনন্দ লাভ করুক। সব কিছু আল্লাহর পথে বিলিয়ে দিয়ে কৃতজ্ঞতার আবেগ প্রকাশ করুক যে, আল্লাহ তার ফযল করমে তার পথে জানমাল কুরবান করার তৌফিক তাকে দিয়েছেন। এজন্য শরীয়ত যাকাতের একটি আইনগত সীমা নির্ধারণ করে দিয়ে বলেছে যে, এতোটুকু ব্যয় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। এতটুকু খরচ না করলেও ঈমানই সন্দেহযুক্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু তার সাথে সর্ব শক্তি দিয়ে এ  প্রেরণাও দিয়েছে যে, একজন মুমিন যেন এতোটুকু ব্যয় করাকে যথেষ্ট মনে না করে। বরঞ্চ বেশী বেশী আল্লাহর পথে খরচ করার অভ্যাস যেন করে। নবী (সা.)  ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর জীবন থেকেও এ সত্যই আমাদের সামনে প্রকটিত হয়।

হযরত আনাস (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি নবী পাক (সা.)  এর দরবারে হাজির হলো। সে নবীর কাছে সওয়াল করলো।তখন নবী (সা.)  এর কাছে এতো সংখ্যক ছাগল ছিল যে, দু পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকা ছাগলে পরিপূর্ণ ছিল। নবী (সা.)  ছওয়ালকারীকে সেই সব ছাগল দান করলেন। সে যখন তার কওমের কাছে ফিরে গেল তখন তাদেরকে বললো- লোকেরা তোমরা সব মুসলমান হয়ে যাও। মুহাম্মদ (সা.)  লোকদেরকে এত বেশী দান করেন যে, অভাবগ্রস্ত হওয়ার আর কোন ভয় থাকে না। [কাশফুল মাহযুব]

একবার হযরত হুসাইন (রা.) এর দরবারে এক ভিখারি এসে বললো- হে নবীর পৌত্র আমার চারশ দিরহামের প্রয়োজন। হযরত হুসাইন তখনি ঘর থেকে চারশ দিরহাম এনে তাকে দিয়ে দিলেন এবং কাঁদতে লাগলেন। লোকেরা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন কাঁদছি এজন্য তার চাইবার আগে কেন তাকে দিলাম না। যার জন্য তাকে ছওয়াল করতে হলো। কেন এ অবস্থা হলো যে, সে ব্যক্তি আমার কাছে এসে ভিক্ষার জন্য হাত বাড়ালো? [কাশফুল মাহযুব]

হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, একবার বাড়িতে একটি ছাগল যবেহ হলো। নবী (সা.)  ঘরে এসে জিজ্ঞেস করলেন, ছাগলের গোশত কিছু আছে কিনা। হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, শুধু একটা রান বাকী আছে (আর সব বণ্টন হয়ে গেছে) । নবী বললেন, না বরঞ্চ ঐ রান ছাড়া আর যা কিছু আর যা কিছু বণ্টন হয়েছে তা আসলে বাকি রয়েছে। (যার প্রতিদান বা মূল্য আখিরাতে আশা করা যায়। [জামে তিরমিযি]

হযরত আসমা বিনতে আবি বকর (রা.) বলেন, নবী (সা.)  তাকে বলেন, আল্লাহর ভরসা করে মুক্ত হস্তে তার পথে দান করতে থাক। গুণে গুণে হিসেব করে দেবার চক্করে পড়ো না যেন। গুণে গুণে আল্লাহর রাস্তায় দান করলে তিনিও গুণে গুণেই নিবেন। সম্পদ গচ্ছিত করে রেখো না। নতুবা আল্লাহও তোমার সাথে এ ব্যবহারই করবেন এবং অগণিত সম্পদ তোমার হাতে আসবে না। অতএব যতোটা হিম্মত কর খোলা হাতে আল্লাহর রাস্তায় খরচ কর। [বুখারী, মুসলিম]

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন নবী (সা.)  বলেছেন, আল্লাহর তার প্রত্যেক বান্দাকে বলেন, হে বনী আদম। আমার পথে খচর করতে থাক। আমি আমার অফুরন্ত ভাণ্ডার থেকে তোমাদেরকে দিতে থাকবো। [বুখারী, মুসলিম]

যাকাতের মহাত্ব ও গুরুত্ব : ইসলামে যাকাতের যে অসাধারণ মহত্ব ও গুরুত্ব রয়েছে তার অনুমান এর থেকে করা যায় যে, কুরআন পাকে অন্তত বত্রিশ স্থানে নামায ও যাকাতের এক সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। ঈমানের পর প্রথম দাবীই হচ্ছে নামায ও যাকাতের। প্রকৃতপক্ষে এ দুটি ইবাদাত পালন করার অর্থ গোটা দ্বীন পালন করা। যে বান্দা মসজিদের মধ্যে আল্লাহর সামনে গভীর আবেগ সহকারে তার দেহ ও মন বিলিয়ে দেয়, সে মসজিদের বাইরে আল্লাহর হক কিভাবে অবহেলা করতে পারে? ঠিক তেমনি যে ব্যক্তি তার প্রিয় ধন সম্পদ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আল্লাহর পথে সন্তুষ্ট চিত্তে বিলিয়ে দিয়ে মনে গভীর শান্তি অনুভব করে, সে অন্যান্য বান্দাদের হক কিভাবে নষ্ট করতে পারে? আর ইসলাম তো প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ও বান্দার হকেরই বহিঃপ্রকাশ। এজন্যে কুরআন নামায এবং যাকাতের ইসলামের পরিচায়ক এবং ইসলামের গণ্ডির মধ্যে প্রবেশের সাক্ষ্য বলে গণ্য করে। সূরা তওবায় আল্লাহ তায়ালা মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা ও অসন্তোষ প্রকাশের পর মুসলমানদেরকে এ হেদায়াত দেন যে, তারা যদি কুফর ও শিরক থেকে তওবা করে নামায কায়েম করতে ও যাকাত দিতে থাকে, তাহলে তারা দ্বীনি ভাই বরে গণ্য হবে। তারপর ইসলামী সমাজে তাদের সেস্থান হবে যা মুসলমানদের আছে,যদি তারা (কুফর ও শিরক থেকে) তওবা করে এবং নামায কায়েম করে ও যাকাত দেয় তাহলে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই। [সূরা আত তওবা ১১]

এ আয়াত একথাই বলে যে, নামায ও যাকাত ইসলামের সুস্পষ্ট আলামত এবং অকাট্য সাক্ষ্য। এ জন্যে কুরআন যাকাত না দেয়াকে মুশরিকদের নিদর্শন ও কর্মকাণ্ড বলে অভিহিত করেছে। এ ধরনের লোককে আখিরাতে অস্বীকারকারী ও ঈমান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। কুরআনের অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ধ্বংস ওসব মুশরিকদের জন্যে যারা যাকাত দেয় না এবং আখিরাত অস্বীকারকারী। [সূরা হা মীম আস সাজদা ৬-৭]

যাকাত অবহেলার ভয়ংকর পরিণাম : যাকাতের অসাধারণ গুরুত্বের কারণে, কুরআন ঐসব লোকদের জন্যে চরম যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির কথা বলেছে যারা যাকাত দেয় না। ক্ষয়শীল ধন সম্পদের মহব্বতে উন্মত্ত হয়ে তারা যেন ভয়াবহ পরিণাম ডেকে না আনে, তার জন্যে তাদেরকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। তারা যেন সে ভয়াবহ শাস্তি থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখে, যার ধারণা করতেই শরীর রোমাঞ্চিত হয়। কুরআনে ইরশাদ করা হয়েছে, যারা সোনা চাঁদি জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে খরচ করে না তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও। (সে শাস্তি হলো এই যে,) এমন একদিন আসবে যেদিন জাহান্নামের আগুনে সেসব সোনা চাঁদি উত্তপ্ত করা হবে এবং তারপর তা দিয়ে তাদের চেহারা ও মুখমণ্ডল, পার্শ্বদেশ ও পৃষ্ঠদেশে দাগ দেয়া হবে। (এবং বলা হবে) এ হলো সেই ধন সম্পদ যা তোমরা নিজেদের জন্যে জমা করে রেখেছিলে। অতএব এখন তোমাদের জমা করা সম্পদের আস্বাদ গ্রহণ করো। [সূরা আত তওবা ৩৪-৩৫]

যাকে আল্লাহ তায়ালা ধন দৌলত দিয়েছেন তারপর সে তার ধনের যাকাত দিলো না। তখন তার ধনকে কিয়ামতের দিন বিষধর সাপের রূপ দেয়া হবে। বিষের তীব্রতায় সে সাপের মাথা লোমহীন হবে। তার চোখ দুটি কালো দাগ হবে। কেয়ামতের দিন সে যাকাত না দেয়া কৃপণ ব্যক্তির গলা জড়িয়ে ধরবে এবং তার দু চোয়ালে তার বিষধর দাঁত বসিয়ে দিয়ে বলবে আমি তোর ধন সম্পদ আমি তোর সঞ্চিত ধন দৌলত। তারপর নবী (সা.) নিম্নের আয়াত তেলাওয়াত করেন, যাদেরকে আল্লাহ তার অনুগ্রহে দান দৌলত দিয়েছেন এবং কৃপণতা করে তারা যেন এ ধারণা না করে যে, এ কৃপণতা তাদের জন্যে মঙ্গলজনক, বরঞ্চ এ তাদের জন্য অত্যন্ত অমঙ্গলজনক। কৃপণতা করে যা কিছু তারা জমা করে রেখেছে কেয়ামতের দিন তা হাসুলি বানিয়ে তাদের গলায় পরিয়ে দেয়া হবে। [সুরা আলে ইমরান ১৮০]

একদিন নবী (সা.)  দেখলেন যে, দুজন মহিলা হাতে সোনার কঙ্কণ পরিধান করে আছে। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা এর যাকাত দাও কিনা। তারা না বললে নবী বললেন, তোমরা কি তাহলে এটা চাও যে, এ সবের পরিবর্তে তোমাদের আগুনের কঙ্কণ পরানো হবে? তারা বললো না না, কখনোই না। তখন নবী (সা.)  বললেন, এ সবের যাকাত দিতে থাকো। [তিরমিযি]

হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) বলেন, নবী (সা.)  খুতবা দিতে গিয়ে বলেন, হে লোকেরা! লোভ লালসা থেকে দূরে থাকো। তোমাদের পূর্বে যারা ধ্বংস হয়েছে তারা এ লোভ লালসার জন্যেই হয়েছে। লোভ তাদের মধ্যে কৃপণতা ও মনের সংকীর্ণতা সৃষ্টি করেছিল। ফলে তারা কৃপণ ও ধনের পূজারী হয়ে পড়ে। এ তাদেরকে আপনজনের প্রতি দয়া মায়ার সম্পর্ক ছিন্ন করতে প্রেরণা দেয় এবং তারা দয়া মায়া ছিন্ন করার অপরাধ করে বসে। এ তাদেরকে পাপাচার প্রেরণা দেয় এবং তারা পাপাচার করে। [আবু দাউদ] ###

Related posts

Top