আকায়েদ ও ইবাদাত articles

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা

একজন মুসলমানের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হল পরিচ্ছন্নতা। মুমীন তার ঈমানের অন্যতম অংশ মনে করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাকে। সুতরাং তারা আত্মিক ও বাহ্যিক উভয় অবস্থাতেই পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্ন করেন। রাসূলুল্লাহ সা. সব সময় পরিচ্ছন্ন থাকতেন, আমাদেরকেও সব সময় পরিচ্ছন্ন থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ সা. আমাদের যে কাজের নির্দেশ করেছেন তা হলো মিসওয়াক

দোয়া কবুলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়

বছরের বিশেষ রাতগুলো ছাড়াও প্রতি রাতে তাহাজ্জুদের সময়ে আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার নিকটতম প্রথম আসমানে এসে বান্দাদের ফরিয়াদ শোনেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রিয় হাবিব (সা.)-কে উদ্দেশ্য  করে বলেন: وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَّكَ عَسَى أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا ‘এবং রাতের কিছু অংশ তাহাজ্জুদ কায়েম করবে, ইহা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা

মহররম : তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়

চার সম্মানিত মাসের প্রথম মাস মহররম, যাকে আরবের অন্ধকার যুগেও বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার চোখে দেখা হতো। আবার হিজরি সনের প্রথম মাসও মহররম। শরিয়তের দৃষ্টিতে যেমন এ মাসটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনি এই মাসে সংঘটিত ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণও অনেক দীর্ঘ। আমরা দেখতে পাই, ইতিহাসের এক জ্বলন্ত সাক্ষী এই মহররম মাস। ইসলামের অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্রপাত হয়

পবিত্র হজের পবিত্র নিদর্শন [দ্বিতীয় পর্ব]

সাফা পাহাড় : কাবা শরীফ থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, ১৩০ মিটার দূরে, সাফা পাহাঙ অবস্থিত। সাফা একটি ছোট পাহাঙ যার উপর বর্তমানে গম্বুজ নির্মাণ করা হয়েছে এবং এ পাহাঙের একাংশ এখনও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। আর বাকি অংশ পাকা করে দেয়া হয়েছে। সমতল থেকে উঁচুতে এই পাকা অংশের ওপরে এলে সাফায় উঠেছেন বলে ধরে নেয়া হবে। সাফা

পবিত্র হজের পবিত্র নিদর্শন [প্রথম পর্ব]

কাবা শরিফ : মুসলমানদের সর্বপ্রথম ইবাদতস্থল পবিত্র কাবা। রহমত ও বরকতপূর্ণ একস্থানের নাম কাবা। কাবা শরিফের উচ্চতা পূর্ব দিক থেকে ১৪ মিটার, পশ্চিম ও দক্ষিন দিক থেকে ১২.১১ মিটার এবং উত্তর দিক থেকে ১১.২৮ মিটার। এর ভেতরের মেঝে রঙ্গিন মার্বেল পাথওে তৈরি। এর সিলিংকে তিনটি কাঠের পিলার ধওে রেখেছে। প্রতিটি পিলারের ব্যাস ৪৪ সে.মি.। কাবা

Top