শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতি articles

পহেলা বৈশাখ ও ইসলাম

পহেলা বৈশাখ ও ইসলাম

আমাদের এ বঙ্গদেশে প্রতি বাংলা নববর্ষে ঘটা করে পালিত হয় পহেলা বৈশাখ। হিন্দু-মুসলিম, দল-মত নির্বিশেষে সবাই এ উৎসবে অংশগ্রহণ করে। অনেকে বলে এটা বাঙালী জাতির ঐতিহ্য, কারো মতে এটা দেশীয় উৎসব আর কারো নিকট এটা নিছক রঙ-তামাশা ও আনন্দ-উৎসবের মাধ্যম মাত্র। একধাপ এগিয়ে কোনো কোনো বুদ্ধিজীবি এটাকে ইসলামের দৃষ্টিতেও বৈধ বানানোর অপচেষ্টা করেছে। মোটকথা, প্রত্যেকেই

মানব জীবনে সংস্কৃতির ভূমিকা

ভাষা-বিশেষজ্ঞরা ‘সংস্কৃতি’ শব্দটিকে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করে থাকেন। ভূমি চায় বা জমি কর্ষণ, শিক্ষা-দীক্ষার সাহায্যে মন-মানসের পরিচ্ছন্নতা ও উৎকর্ষ বিধান, নৈতিক-চরিত্র ও মানসিক যোগ্যতার পরিবর্ধন, স্বভাব-মেজাজ, আলাপ-ব্যবহার ও রুচিশীলতার পরিমার্জন এবং এসব উপায়ে কোন জন-সমাজ বা জাতির অর্জিত গুণ-বৈশিষ্ট্য –এসবই ‘সংস্কৃতি’ শব্দে নিহিত ভাবধারা। এ থেকেই সংস্কৃতির অর্থ করা হয় ‘অর্জিত কর্মপদ্ধতি’। এ অর্জিত কর্মপদ্ধতিতে

ইসলামে বিনোদনের সীমারেখা

ইসলাম ধর্মে বিনোদন নিষেধ নয়, তবে বিনোদনকে গ্রহণ করা হয়েছে সর্তকতার সাথে । যেনো বিনোদনে মন্দ কোন বিষয়ের উঁকি-ঝুঁকি না দেয় ।  বিনোদন মজ্জাগত এবং এটা সর্বজন স্বীকৃত একটি বিষয়। সংজ্ঞা : ইসলামি পরিভাষায়, খেলাধূলা ক্রীড়া-কৌতুক এমন সব কাজ বস্তু বা বিষয়কে বলা হয় যা মানুষকে আল্লাহর এবাদত ও স্মরণ থেকে গাফেল করে ফেলে। যার

আশুরা দিবস : ফযীলত, গুরুত্ব ও ইতিহাস

হিজরি বছরের প্রথম মাস হলো মুহাররম। কুরআন ও সুন্নাহয় এ মাসের কিছু ফযীলত ও গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে। বিশেষত মাসের দশম তারিখ তথা আশুরা দিবসটি এতে বিশেষ গুরুত্ব রাখে। কিন্তু আমাদের সমাজে এ দিবসকে কেন্দ্র করে ইসলামের নামে যা ঘটে তার সিংহভাগই ইসলাম সমর্থিত নয়। বিভিন্ন মিথ্যা ঘটনাবলীর বর্ণনা ও মানবরচিত কিছু আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে পালিত হয়

সত্য গ্রহণ ও মিথ্যা বর্জন : ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম অধ্যায়

সত্যবাদিতা একটি মহৎ গুণ। ইসলামি কৃষ্টি ও কালচারে যেসব বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে সত্যবাদিতা অন্যতম একটি। ইসলামি শরিয়ত সত্যবাদিতার গুণাবলিকে অন্যতম চারিত্রিক গুণ বলে আখ্যা দিয়েছে। এটি একটি সুমহান আদর্শও বটে। বলা হয়, কেবল মহামানবগণই এমন গুণ অর্জন করতে পারেন। আর এই গুণকে অবহেলা করে কেবল অপদার্থরা। সকল নবীর মধ্যে সত্যবাদিতার গুণ

Top