শিশু মেলা articles

অসহায় এক বৃদ্ধা মা

অসহায় এক বৃদ্ধা মা

গ্রীষ্মের ভরদুপুর। কাঠফাঁটা রোদ। ছায়াহীন পথ। মেঘহীন আকাশ। চারদিকে রোদের প্রচন্ড তাপ। এমন সময় সাধারণত পথে-ঘাটে কোন পথচারী যেতে দেখা যায় না। এমন তীব্র রোদে কি আর হাঁটা যায়? কিন্তু প্রয়োজন মানুষকে বাধ্য করে। তাছাড়া যে এক মুঠো ভাত মুখে দেয়া যাবে না। তাই বাঁচার তাগিদেই মানুষ বাধ্য হয় পথে নামে খইফুটা রোদে কাজ-কর্ম করতে।

দেখা অদেখার সুপার মুন

সন্ধাজ্ঞা বলে আমাদের হোস্টেলে একটা আজ্ঞা চাল আছে। ওটাতে হোস্টেলের বড় ভাইরা নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। আমরা ওখানে যাওয়ার সাহস করি না। মারপিটের ভয় বিষয়টা তেমন না। বরং উনাদের ফুট ফরমাস খাটতে খাটতে আমাদের সময় যায় । আড্ডা আর দেও হয় না। বড়দের আশেপাশে ছোট কেউ থাকলে বড়রা কেমন যেন অলস হয়ে যায়। এজন্য আমরা আমাদের

সাহসী কিশোর

বিশাল হলরুম। চতুর্দিকে অন্ধকার । মধ্যভাগে একটি টেবিল । এক টুকরো আলো। টেবিল ঘিরে বসে আছে কিছু লোক। একটি শূন্য চেয়ার। প্রধানের অপেক্ষায় । নিশ্চুপ সবাই। কারো মুখে কোনো রাগ নেই। পিনপতন নিরবতা। সময় বয়ে যায় আপন গতিতে। একসময় পদধ্বনিতে গুঞ্জরিত হয় হলরুম। ক্রমেই ভারি হয়। সবাই দাড়িয়ে যায় । কুর্ণিশ করে। আলখেল্লা পরিহিত সে

ভুল ভাঙলো

আমাদের পাড়ার হাসান সাহেব। পবিত্র জুমার জামাত শেষে ফুরফুরে মন নিযে বাসায় ফিরেছেন । অন্যান্য দিনের চেয়ে তার ভেতরটা আজ বেশ চনমনে। বিশেষ করে মসজিদে আজ খতিব সাহেব যে খুতবা দিয়েছেন- তা হাসান সাহেবের খুব মনে ধরেছে। খুতবার আলোকে নিজেকে মহান রাব্বল আলামিনের প্রিয় বান্দাদের একজন ভাবতে পারছেন। বুকের ভেতরটায় কেমন একটা সুখ সুখ অনুভব

স্মৃতির গ্রাম

একটি গ্রাম। নাম রূপপুর। আকারে খুব বেশি বড় নয়। তবে তার সৌন্দর্য অতুলনীয়। যেন নামের সাথে মিল রেখেই স্রষ্টা গড়েছেন তাকে। দিয়েছেন বাহারি রূপ। সবুজের এক অনন্য সমারোহ এই গ্রাম। গ্রামের বুকচিরে  মেঠোপথ। মেঠোপথের দু’ধারেই রয়েছে শস্যক্ষেত। বাড়ি-ঘরগুলো গ্রামের একটু ভেতর দিকে। গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মৃদু স্রোতিস্বীনি এক নদী। এ গ্রামেই আমার জন্ম

Top