শিশু মেলা articles

হযরত সালমান রা.-এর মতো ঈমান চাই

হযরত সালমান রা.-এর মতো ঈমান চাই

কাফেররা ইসলাম নিয়ে মশকরা করত। এটা ছিল তাদের অভ্যাস। তারা চাইত এভাবে মুসলমানদেরকে নিচু করবে এবং তাদের মনের জ্বালা মেটাবে। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহচর্যের বরকতে  সাহাবায়ে কেরাম এমন মজবুত ঈমানের অধিকারী হয়েছিলেন যে, তাঁরা কাফেরদের ঐসব বাজে মশকরাকে পাত্তা দিতেন না। তাই কাফেররা তাঁদের সঙ্গে সুবিধা করতে পারত না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

তাড়াহুড়ার কুফল

প্রাচীন কালের কথা। জাপানে ছিলেন শগন নামের এক রাজা। রাজ্যের ধন-সম্পদ, অর্থকড়ি দেখভালের জন্য একজন যোগ্য কর্মচারীর দরকার হল তার। রাজ্যের ধন-সম্পদ আর টাকাকড়ি ছিল প্রচুর। সেগুলোর হিসাব নিকাশ রাখাও ছিল কঠিন কাজ। এ কঠিন কাজ করার মতো যোগ্য লোক কিভাবে বাছাই করা হবে-এ সমস্যায় রাজা হিমশিম খেতে লাগলেন। ঘোষণা শুনে বহু লোক রাজদরবারে এল

ইবলিসের বন্ধু ও শত্রু

এক বুযুর্গ ব্যক্তির সঙ্গে ইবলিসের দেখা হয়ে গেল।বুযুর্গ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কে? সে উত্তর দিল-‘ইবলিস।’বুযুর্গ জিজ্ঞাসা করলেন- কেন এসেছিস? সে উত্তর দিল- আল্লাহ তাআলা হুকুম করেছেন আপনার খেদমতে হাজির হতে এবং আপনি যে প্রশ্ন করবেন তার জবাব দিতে। বুযুর্গ তখন বললেন, হে মালউন? সকল মানুষের মধ্যে তোর কত জন শত্রু রয়েছে? ইবলিস জবাব দিল,

অসহায় এক বৃদ্ধা মা

গ্রীষ্মের ভরদুপুর। কাঠফাঁটা রোদ। ছায়াহীন পথ। মেঘহীন আকাশ। চারদিকে রোদের প্রচন্ড তাপ। এমন সময় সাধারণত পথে-ঘাটে কোন পথচারী যেতে দেখা যায় না। এমন তীব্র রোদে কি আর হাঁটা যায়? কিন্তু প্রয়োজন মানুষকে বাধ্য করে। তাছাড়া যে এক মুঠো ভাত মুখে দেয়া যাবে না। তাই বাঁচার তাগিদেই মানুষ বাধ্য হয় পথে নামে খইফুটা রোদে কাজ-কর্ম করতে।

দেখা অদেখার সুপার মুন

সন্ধাজ্ঞা বলে আমাদের হোস্টেলে একটা আজ্ঞা চাল আছে। ওটাতে হোস্টেলের বড় ভাইরা নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। আমরা ওখানে যাওয়ার সাহস করি না। মারপিটের ভয় বিষয়টা তেমন না। বরং উনাদের ফুট ফরমাস খাটতে খাটতে আমাদের সময় যায় । আড্ডা আর দেও হয় না। বড়দের আশেপাশে ছোট কেউ থাকলে বড়রা কেমন যেন অলস হয়ে যায়। এজন্য আমরা আমাদের

Top