শিশু মেলা articles

সাহসী কিশোর

সাহসী কিশোর

বিশাল হলরুম। চতুর্দিকে অন্ধকার । মধ্যভাগে একটি টেবিল । এক টুকরো আলো। টেবিল ঘিরে বসে আছে কিছু লোক। একটি শূন্য চেয়ার। প্রধানের অপেক্ষায় । নিশ্চুপ সবাই। কারো মুখে কোনো রাগ নেই। পিনপতন নিরবতা। সময় বয়ে যায় আপন গতিতে। একসময় পদধ্বনিতে গুঞ্জরিত হয় হলরুম। ক্রমেই ভারি হয়। সবাই দাড়িয়ে যায় । কুর্ণিশ করে। আলখেল্লা পরিহিত সে

ভুল ভাঙলো

আমাদের পাড়ার হাসান সাহেব। পবিত্র জুমার জামাত শেষে ফুরফুরে মন নিযে বাসায় ফিরেছেন । অন্যান্য দিনের চেয়ে তার ভেতরটা আজ বেশ চনমনে। বিশেষ করে মসজিদে আজ খতিব সাহেব যে খুতবা দিয়েছেন- তা হাসান সাহেবের খুব মনে ধরেছে। খুতবার আলোকে নিজেকে মহান রাব্বল আলামিনের প্রিয় বান্দাদের একজন ভাবতে পারছেন। বুকের ভেতরটায় কেমন একটা সুখ সুখ অনুভব

স্মৃতির গ্রাম

একটি গ্রাম। নাম রূপপুর। আকারে খুব বেশি বড় নয়। তবে তার সৌন্দর্য অতুলনীয়। যেন নামের সাথে মিল রেখেই স্রষ্টা গড়েছেন তাকে। দিয়েছেন বাহারি রূপ। সবুজের এক অনন্য সমারোহ এই গ্রাম। গ্রামের বুকচিরে  মেঠোপথ। মেঠোপথের দু’ধারেই রয়েছে শস্যক্ষেত। বাড়ি-ঘরগুলো গ্রামের একটু ভেতর দিকে। গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মৃদু স্রোতিস্বীনি এক নদী। এ গ্রামেই আমার জন্ম

শিশুকে গল্প শোনাবেন : কী শোনাবেন, কেনো শোনাবেন

আপনার ব্যস্ততা সকালে হুড়োহুড়ি করে নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে, বাচ্চাকে স্কুলের জন্যে তৈরি করে অফিসের দিকে রওনা দেওয়া। সারাদিন একটানা কাজ করে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা। রাতের বেলা কোনোরকমে খাওয়া দাওয়া শেষে সবাইকে ‘শুভরাত্রি’ বলে ঘুমিয়ে পড়া। এই কি আপনার নিত্যদিনের রুটিন? কেনো এত ব্যস্ত আপনি? উত্তরটা খুবই সহজ। নিজেদের ভবিষ্যত, সন্তানের ভবিষ্যত, একটু ভালো থাকা,

Top