Tag Archives: আকিদা

তাড়াহুড়ার কুফল

তাড়াহুড়ার কুফল

প্রাচীন কালের কথা। জাপানে ছিলেন শগন নামের এক রাজা। রাজ্যের ধন-সম্পদ, অর্থকড়ি দেখভালের জন্য একজন যোগ্য কর্মচারীর দরকার হল তার। রাজ্যের ধন-সম্পদ আর টাকাকড়ি ছিল প্রচুর। সেগুলোর হিসাব নিকাশ রাখাও ছিল কঠিন কাজ। এ কঠিন কাজ করার মতো যোগ্য লোক কিভাবে বাছাই করা হবে-এ সমস্যায় রাজা হিমশিম খেতে লাগলেন। ঘোষণা শুনে বহু লোক রাজদরবারে এল

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ : যারা রাসূল (সা.) ও তাঁর সাহাবায়ে কেরামের আদর্শের অনুসারী এবং সুন্নাতকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণকারী তারাই মূলত আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ । যথা- তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ী ও হেদায়াতপ্রাপ্ত ইমামগণ। তারা সুন্নাতের অনুসরণে সুদৃঢ় ও সর্বদা সকল প্রকার বিদআত থেকে দূরে থাকে। এরাই কিয়ামত পর্যন্ত সাহায্যপ্রাপ্ত জামাআত। রাসূল (সা.) -এর সুন্নাতের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে

আল্লাহ সম্পর্কে একজন মুমিনের আকীদা-বিশ্বাস কেমন হওয়া উচিত

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন। (সূরা আশ-শুরা: ১১)। আরো ইরশাদ হয়েছে, অতএব, আল্লাহর কোন সাদৃশ্য সাব্যস্ত করো না, নিশ্চয় আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না। (সূরা নাহল: ৭৪) এছাড়া আরো ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ কোনো কিছুর মুখাপেক্ষী নন। (সূরা এখলাছ: ২) এছাড়া আরো ইরশাদ হয়েছে, এবং তার

আল্লাহর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ : কী বলে ইসলাম

আল্লাহ তাআলার অস্তিত্বের বিষয়টা কোনো জটিল বিষয় নয়। তা অনুধাবন করার জন্য তীক্ষ্ণ বুদ্ধির প্রয়োজন নেই, এটা বোঝা কারো পক্ষে কষ্টকরও নয়। এটা সম্পূর্ণ পরিস্কার ব্যাপার। মানুষের স্বাভাবিক প্রকৃতি তা সহজেই অনুধাবন করতে পারে এবং তার স্বভাবই তাকে এ সম্পর্কে পথ দেখায়। কখনো এরূপও হয়ে থাকে যে, তীক্ষ্ণ আলোকচ্ছটা দর্শনের সামনে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। আবার

ইসলামি আকিদা : পরিচয় ও উৎস-উৎপত্তি এবং গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস বিষয়ক প্রসিদ্ধতম শব্দ বা পরিভাষা হলো ‘আকিদা’। একজন মুসলিমের প্রকৃত অস্তিত্বের সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয় এই আকিদা বা বিশ্বাস। হিজরি চতুর্থ শতকের আগে এ শব্দ বা পরিভাষাটির প্রয়োগ এতোটা প্রসিদ্ধ ছিলো না। চতুর্থ হিজরি শতক পর থেকেই মূলত এ পরিভাষাটির প্রচলন-প্রসিদ্ধি ঘটে। [ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকিদা] একজন মুমিন

Top